সাধু ও সাধুসঙ্গ ১:
সাধু ও সাধুসঙ্গ শব্দ দুটি খুব
পরিচিত। কেঁউ বলে যিনি সর্ব স্বাদ ত্যাগ করতে পেরেছেন সেই সাধু, কেঁউ বলে যিনি
আধ্যাত্মিক সাধনা করে সেই সাধু, কেঁউ বলে যিনি পাপ মুক্ত বা নিষ্পাপ
তিনিই সাধু। সাধুর সংজ্ঞা যে যেভাবেই দিক না কেন মূল ভাবার্থ একই দারায়। আপনি নিজে
সাধু হতে চাইলে সাধুসঙ্গ অবশ্যই করতে হবে এর কোন বিকল্প নেই।
সাধুরা (মারফতের ফকির) মূলত দুই
ধরনের হয়ে থাকে
১। নম্র
২। হিংস্র
১। নম্র
২। হিংস্র
সাধু ও সাধুসঙ্গ ২:
একটি বাচ্চাকে যখন প্রথম স্কুলে
ভর্তি করানো হয় তখন তাঁর পক্ষে হেডমাস্টারের কাছে গিয়ে শিক্ষা নেয়া একটা কঠিন কাজ
এটা কারো বেলাতেই হবার কথা নয় যদি হয় তবে সেটা আলাদা কথা। কিন্তু তাই বলে বাচ্চার
পরাশুনাতো আর বন্ধ রাখা যাবে না সেজন্য আমরা কি করি? এক/একাধিক প্রাইভেট
টিউটর রেখে দয়েই। ঠিক তেমনি ভাবে আমরা যখন একজন মুর্শিদের হাতে
বায়াত হই তখন তার কাছ থেকে সকল এলেম (শরীয়ত, তরিকত, হাকিকত, মারফত) নেয়া সম্ভব হয়
না। কারন বাস্তবে তার এত সময় কোথায় সে তাঁর কাজে মগ্ন সদায় বছরে দু-এক বার দেখা হওয়াটাই সৌভাগ্যের ব্যাপার, যদিও এটাও তাঁরই একটা কাজ (তবে
কামেল/মোকাম্মেল মুর্শিদের ক্ষেত্রে এর একটা ব্যাখ্যা আছে)। সেজন্যে আমরা সবাই
বয়োজ্যেষ্ঠ জ্ঞানী-গুনী সাধু গুরু খুজে বেরাই নিজের জ্ঞান বৃদ্ধির আশায় কিঞ্চিৎ
আধ্যাত্মিকতা লাভের আশায়। আর এখানেই পাওয়া যায় আমাদের
বুদ্ধিমত্তার এবং বোকামির পরিচয়, কেউ খুজে পায় ছহি শুদ্ধ জীবন আবার কারো জীবন চীরতরেই শেষ হয়ে
যায়...
No comments:
Post a Comment