মানুষ যখন ভুল করে সেটা ইচ্ছাকৃত আর অনিচ্ছাকৃত যাই হোক
তখন সে জ্ঞানের ঘরে থাকে না।
মানুষ যখন ভুল করে সেটা ইচ্ছাকৃত
আর অনিচ্ছাকৃত যাই হোক তখন সে জ্ঞানের ঘরে থাকে না। কারণ যার যার জ্ঞান হচ্ছে তার
তার বিচার বিভাগ, জ্ঞানের ঘরে নালিশ গেলেই বিচার করে দেবে তখন আর সেই ব্যাক্তি মন্দ
কাজে জড়াতে পারেনা। তার মানে যত মন্দ কাজ ঘটে এই পৃথিবীতে তা সবই মানুষের মনের
মন্দ দিকের বহিঃপ্রকাশ।
যেমন কর্ম তেমন ফল আশা করাই শ্রেয় বুঝাই যাচ্ছে যে মন্দ
কাজের মন্দ প্রতিক্রিয়া আসবে। আর এ প্রতিক্রিয়া অবশ্যই জীবনের উপর আঘাত হানবে। সবই
বুঝি কিন্তু আমরা যে অবুঝ থাকতেই পছন্দ করি তাই যখন জীবনে ধ্বস নামে তখন ভুলেই যাই
পুর্বের সকল অপকর্মের কথা। দোষারোপ করতে থাকি বিধাতাকে, অদৃষ্টকে। বিধি আমার
জিবনটা এমন হল কেন? আমিতো কোন পাপ করিনি তাহলে কেন এমন হল? শুরু হয় জ্ঞানীদের
পেছনে ছুটাছুটি। কিন্তু যেই জ্ঞানে জ্ঞানীরা জ্ঞানী হয়েছে সেই জ্ঞানটুকু তোমারও
ছিল-আছে-থাকবে শুধুই চর্চার অভাব, সঠিক পন্থায় জ্ঞানের চর্চা।
তাহলে বাঁচার উপায় কি হতে পারে? মন চাইলেই সকল কাজ করা
যাবেনা। মনকে জ্ঞানের দ্বারা বিচার করে চলতে হবে। সর্বদাই জ্ঞানের ঘরে থাকতে হবে, মনের ঘরে থাকা চলবে না।
কোন কর্ম করার আগে অবশ্যই তা জ্ঞান বিচারে ফেলে দিতে হবে দেখতে হবে সেখান থেকে কি
রায় আসে। ভূমিষ্ট হওয়ার পর মানুষের প্রথম গুরুই হচ্ছে তার নিজের জ্ঞান। সুতরাং
গুরুকে ভুলে যাওয়া আমাদের মোটেও ঠিক না।
No comments:
Post a Comment