প্রকৃত গুরুঃ ১
===========
আমাদের প্রায় সকলেরই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ঐ একই প্রশ্ন প্রকৃত গুরু চিনব কেমনে? বহু পুস্তকে বিভিন্ন ভাবে অনেকেই বলে গেছেন গুরু চেনার উপায়। আবার অনেকেই বলেন গুরু চেনার ১০টি উপায় আছে। আমার কথার সাথে অন্যদের সাথে খানিকটা গড়মিল হতেও পারে। এভাবে নির্দিষ্ট করে গুরু চেনার উপায় বলা যাবে না।
===========
আমাদের প্রায় সকলেরই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ঐ একই প্রশ্ন প্রকৃত গুরু চিনব কেমনে? বহু পুস্তকে বিভিন্ন ভাবে অনেকেই বলে গেছেন গুরু চেনার উপায়। আবার অনেকেই বলেন গুরু চেনার ১০টি উপায় আছে। আমার কথার সাথে অন্যদের সাথে খানিকটা গড়মিল হতেও পারে। এভাবে নির্দিষ্ট করে গুরু চেনার উপায় বলা যাবে না।
আগে বুঝতে হবে #কামেল_মুর্শিদ / #সিদ্ধি_গুরু এরা কারা। আমাদের মধ্যে
একটি বহুল প্রচলিত ভ্রান্ত ধারনা আছে যে (আকাশ দিয়ে উড়ে যাবে, পানি দিয়ে হেঁটে যাবে
ইত্যাদি অলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন লোকই #কামেল_মুর্শিদ/ #সিদ্ধি_গুরু)। যদি শুরুতেই এভাবে চিন্তা
ভাবনা করি তবে আর আমাদের গুরু চেনাও হবে না গুরু ধরাও হবেনা। দেখা যাবে যে নিজের
অজান্তেই গুরুর বাড়ীর উপর দিয়ে হেঁটে চলে যাচ্ছি কিন্তু গুরু চিনি না। আমাদের অতি
সহজ সরল হয়ে এই পথে নামতে হবে। স্রষ্টা যখন দেখবেন যে আপনি মনে প্রাণে তাকেই
খুঁজছেন তখন সে নিজেই তার সন্ধান দিয়ে দেবে। সে সরাসরি কিছু দেয় না এর জন্যে চাই
মাধ্যম/অছিলা।
#কামেল #সিদ্ধি
যিনি কামিয়াব হয়েছেন / সিদ্ধি লাভ করেছেন, কিসে কামিয়াব/সিদ্ধি? তার নিজ কর্মে কামিয়াব/সিদ্ধি অর্থাৎ তিনি নিজেকে নিজে চিনতে/জানতে পেরেছেন। ...এখন তার কর্ম হচ্ছে অন্যকেও ঐ একই পথে ধাবিত করা এবং কামেলে রূপান্তরিত করা। খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে এখন সে একজন পথপ্রদর্শক। অন্ধকারের লোকদেরকে সে এখন আলোর পথ দেখাতে সক্ষম। এখান থেকে একটি মরমী গান রচিত হয়েছে (সেই ফল গুরুকে দিয়া শিষ্যে খাইলে অমর হয় সে সংসারে) গুরু যেভাবে যে ফল খেয়ে অমর হয়েছে শিষ্যকেও ঠিক একই ভাবে গুরুর মাধ্যমে ঐ ফল ভোগ করতে হবে তবেই সে অমর হবে জগত সংসারে। এটা খুব পরিষ্কার কথা যে গুরু অমর সে আপাতত তার শিষ্যদের মাঝে বিরাজ করছে। দেহের মোকাম জয় করা শেষ এবার লীলা খেলা শুরু হবে তৌহিদের/জ্ঞানের মোকামে ঐ মোকামে যার যত বিস্তার দুনিয়া জুরে তার তত নামডাক।
যিনি কামিয়াব হয়েছেন / সিদ্ধি লাভ করেছেন, কিসে কামিয়াব/সিদ্ধি? তার নিজ কর্মে কামিয়াব/সিদ্ধি অর্থাৎ তিনি নিজেকে নিজে চিনতে/জানতে পেরেছেন। ...এখন তার কর্ম হচ্ছে অন্যকেও ঐ একই পথে ধাবিত করা এবং কামেলে রূপান্তরিত করা। খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে এখন সে একজন পথপ্রদর্শক। অন্ধকারের লোকদেরকে সে এখন আলোর পথ দেখাতে সক্ষম। এখান থেকে একটি মরমী গান রচিত হয়েছে (সেই ফল গুরুকে দিয়া শিষ্যে খাইলে অমর হয় সে সংসারে) গুরু যেভাবে যে ফল খেয়ে অমর হয়েছে শিষ্যকেও ঠিক একই ভাবে গুরুর মাধ্যমে ঐ ফল ভোগ করতে হবে তবেই সে অমর হবে জগত সংসারে। এটা খুব পরিষ্কার কথা যে গুরু অমর সে আপাতত তার শিষ্যদের মাঝে বিরাজ করছে। দেহের মোকাম জয় করা শেষ এবার লীলা খেলা শুরু হবে তৌহিদের/জ্ঞানের মোকামে ঐ মোকামে যার যত বিস্তার দুনিয়া জুরে তার তত নামডাক।
তবে এমন অনেক সাধক আছেন যাদের কোন
শিষ্য নেই, নিজের পাড়িটুকু নিজেই দিয়েছেন গুরুজ্ঞানটুকু অন্যকে দিয়ে যাননি, তারা অমর কিন্তু
পৃথিবীর বুকে তাদের কোন নামডাক নেই। এরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে মানুষের মাঝেই
ধরা দেয়, কখনো ধ্যানে কখনো জাগরণে।
No comments:
Post a Comment