প্রকৃত গুরুঃ ২
===========
===========
যারা ভূমিতে আছেন তাদের কিভাবে
চিনবেন? এরা সহজে কাউকেই ধরা দেয় না। এরা জ্ঞানের উচ্চ আসনে বসা থাকে। চলা
ফেরা বা লেবাজ দেখে এদের চেনা যায় না। এরা ধরা পড়ে এদের কথাতে/বানীতে অন্য আরেক
ভাবুকের কাছে।
১) এদের বাণী হবে ঐশী বাণী তুল্য।
২) চেহারায় থাকবে নূরের ঝলকানি।
৩) এদের বাণী হবে সদা সতর্কমূলক, হে মানুষ সাবধান হয়ে যাও।
৪) এরা অবশ্যই ধর্মগ্রন্থ এবং ধর্ম পন্থী হবে।
৫) এমন কোন কাজ করবেনা বা কথা বলবেনা যাতে অন্যের ক্ষতি হয়।
৬) জীবন চলার সহি পন্থা ব্যাতিত অন্য কোন বিষয়ে শিষ্যদের সাথে আলাপ করবে না। কারণ এদের হাতে অতসময় থাকে না।
৭) শিষ্যদের সাথে তার কোন আর্থিক সম্পর্ক থাকবে না, জ্ঞানের আদান প্রদান হবে বিনা মুল্যে।
8) কেউ মানুক আর নামানুক নিজে যেচে গিয়ে অজ্ঞানীকে জ্ঞান দেয়ার চেষ্টা করবে।
৯) অপমান সহ্য করার মতন অসীম ক্ষমতা থাকবে, লোকে যাই বলুক সে তার নিজ কর্ম করেই যাবে। এক স্রষ্টা ব্যাতিত অন্যের অধীনে চাকুরী করার মত কোন ক্ষমতা তাদের থাকে না তাই তারা সাধারণত হয় হত দরিদ্র, যদি পৈতৃক সূত্রে ধনী হয় সেটা অন্য কথা।
১০) জ্ঞান বিতরণের ব্যাপারে কোন কার্পণ্য করবেনা। তার নিকটে ধনী দরিদ্র সকল শিষ্যই হবে সমান মর্যাদা সম্পন্ন।
১১) সে যেই হালেই থাকুক না কেন নিজের স্রস্টার প্রতি থাকবে সদা সন্তুষ্ট এবং প্রচণ্ড বিনয়ী।
১২) তার দ্বারা যত প্রশংসামূলক কার্যই সম্পন্ন হোক না কেন সে তা নিজের গুণ বলে স্বীকার করবে না। বলবে যা করার স্রষ্টাই করেছেন।
১) এদের বাণী হবে ঐশী বাণী তুল্য।
২) চেহারায় থাকবে নূরের ঝলকানি।
৩) এদের বাণী হবে সদা সতর্কমূলক, হে মানুষ সাবধান হয়ে যাও।
৪) এরা অবশ্যই ধর্মগ্রন্থ এবং ধর্ম পন্থী হবে।
৫) এমন কোন কাজ করবেনা বা কথা বলবেনা যাতে অন্যের ক্ষতি হয়।
৬) জীবন চলার সহি পন্থা ব্যাতিত অন্য কোন বিষয়ে শিষ্যদের সাথে আলাপ করবে না। কারণ এদের হাতে অতসময় থাকে না।
৭) শিষ্যদের সাথে তার কোন আর্থিক সম্পর্ক থাকবে না, জ্ঞানের আদান প্রদান হবে বিনা মুল্যে।
8) কেউ মানুক আর নামানুক নিজে যেচে গিয়ে অজ্ঞানীকে জ্ঞান দেয়ার চেষ্টা করবে।
৯) অপমান সহ্য করার মতন অসীম ক্ষমতা থাকবে, লোকে যাই বলুক সে তার নিজ কর্ম করেই যাবে। এক স্রষ্টা ব্যাতিত অন্যের অধীনে চাকুরী করার মত কোন ক্ষমতা তাদের থাকে না তাই তারা সাধারণত হয় হত দরিদ্র, যদি পৈতৃক সূত্রে ধনী হয় সেটা অন্য কথা।
১০) জ্ঞান বিতরণের ব্যাপারে কোন কার্পণ্য করবেনা। তার নিকটে ধনী দরিদ্র সকল শিষ্যই হবে সমান মর্যাদা সম্পন্ন।
১১) সে যেই হালেই থাকুক না কেন নিজের স্রস্টার প্রতি থাকবে সদা সন্তুষ্ট এবং প্রচণ্ড বিনয়ী।
১২) তার দ্বারা যত প্রশংসামূলক কার্যই সম্পন্ন হোক না কেন সে তা নিজের গুণ বলে স্বীকার করবে না। বলবে যা করার স্রষ্টাই করেছেন।
যদিও সকলের উদ্দেশ্যে লিখাটা লিখেছি তবু আমার নিজের কিছু
মন্তব্য আছে।
১) প্রকৃত সাধু/গুরু/পীর/গোসাই/মশায়েখ না পেলে গুরু ধরার কোন দরকার নেই।
২) খুব ভালকরে ভেবে দেখেন আপনি কি গুরু চান নাকি গুরুজ্ঞান চান।
৩) যদি গুরুজ্ঞান চান তাহলে অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজেই জ্ঞানের পথে নেমেপড়ুন। আপনার সবচেয়ে বড় বন্ধু হবে কোরআন, বেদ, গীতা ইত্যাদি ধর্মগ্রন্থ যেখান থেকে জ্ঞান নিয়ে সিদ্ধিগুরুরা সিদ্ধি লাভ করেন। আর সেজন্যে
মনের চারটি অবস্থা অচেতন, অবচেতন, চেতন, সচেতন। আপনাকে চেতন হতে হবে। মনের ভেতরে প্রচণ্ড জ্ঞানার্জনের চেতনা থাকতে হবে। যখন মন সচেতন হবে তখন আপনিও সিদ্ধির পথে...
১) প্রকৃত সাধু/গুরু/পীর/গোসাই/মশায়েখ না পেলে গুরু ধরার কোন দরকার নেই।
২) খুব ভালকরে ভেবে দেখেন আপনি কি গুরু চান নাকি গুরুজ্ঞান চান।
৩) যদি গুরুজ্ঞান চান তাহলে অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজেই জ্ঞানের পথে নেমেপড়ুন। আপনার সবচেয়ে বড় বন্ধু হবে কোরআন, বেদ, গীতা ইত্যাদি ধর্মগ্রন্থ যেখান থেকে জ্ঞান নিয়ে সিদ্ধিগুরুরা সিদ্ধি লাভ করেন। আর সেজন্যে
মনের চারটি অবস্থা অচেতন, অবচেতন, চেতন, সচেতন। আপনাকে চেতন হতে হবে। মনের ভেতরে প্রচণ্ড জ্ঞানার্জনের চেতনা থাকতে হবে। যখন মন সচেতন হবে তখন আপনিও সিদ্ধির পথে...
গুরু কেন ধরতে হয়ঃ
প্রথমে বাস্তবতা হতে কিছু বলি আশা করি বাকিটুকু আপনি এমনিতেই বুঝে যাবেন। ধরুন আপনি একটি গানিকিত সমস্যায় পড়েছেন আপনার সূত্রটা ঠিক জানা নেই তাই অঙ্কটা মিলাতে পারছেন না। এখন আপনিই বলুন আপনি কি করবেন? ১) আপনি নিজেই একটি গানিতিক সূত্র আবিস্কার করবেন ২) কোন গণিত বিষয়ক শিক্ষকের কাছে যাবেন। পুস্তক আপনার ঘরেই আছে যথেষ্ঠ পরিমাণে কিন্তু সূত্রটা আপনার জানা নেই যে কোন সূত্রে হবে সুতরাং তৃতীয় পন্থায় খুব একটা লাভ হচ্ছে না সময় নষ্ট ছাড়া।
প্রথমে বাস্তবতা হতে কিছু বলি আশা করি বাকিটুকু আপনি এমনিতেই বুঝে যাবেন। ধরুন আপনি একটি গানিকিত সমস্যায় পড়েছেন আপনার সূত্রটা ঠিক জানা নেই তাই অঙ্কটা মিলাতে পারছেন না। এখন আপনিই বলুন আপনি কি করবেন? ১) আপনি নিজেই একটি গানিতিক সূত্র আবিস্কার করবেন ২) কোন গণিত বিষয়ক শিক্ষকের কাছে যাবেন। পুস্তক আপনার ঘরেই আছে যথেষ্ঠ পরিমাণে কিন্তু সূত্রটা আপনার জানা নেই যে কোন সূত্রে হবে সুতরাং তৃতীয় পন্থায় খুব একটা লাভ হচ্ছে না সময় নষ্ট ছাড়া।
মানুষের দেহটাও পুরটাই গানিতিক
হিসেব নিকেশের ব্যাপার। উপরের সমস্যাটা ধরে নিন আপনার
দেহতত্ত্ব। ১) এই সমস্যা মেটাতে হলে আপনার মাঝেই গুরুজ্ঞান থাকতে হবে, আপনাকেই জ্ঞানী হতে হবে। ২) অন্য
কোন সিদ্ধিগুরুর সহায়তা নিতে হবে। তৃতীয় পন্থা হচ্ছে আপনার ধর্মগ্রন্থ যেখানে সব
আছে, ওখানে গিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় জ্ঞানটুকু আহরন করুন। ফকির লালন সাঁই
বলেগেছেন ভুল হলেই আবার ফেরে পরতে হবে এবং চক্রে ঘুরতে হবে (কবে সাধুর চরন ধূলি
মোর লাগবে গায়) এই গানের মধ্যে বলেছেন।
গুরু কেন লাগবে?
সহি পন্থায় জীবন যাপন করতে। নিজের আদি অন্ত জানতে। পা হতে মাথা পর্যন্ত গুপ্ত খবর = তত্ত্বকথা। যা জানলে জ্ঞানীদের ইশারা বুঝা যায় সহজেই এবং তার যোগান দেয় গুরু। গুরু হয় পরম দয়ালু যার দয়াতে শিষ্যের দিব্যদৃষ্টি খুলে যায়। গুরু নিজে বুক সমান তলিয়ে গেলেও শিষ্যকে ঘারে বসিয়ে রাখেন যেন তার শিষ্য না তলায় মহাকালের স্রোতে। প্রকৃত গুরুরা তার শিষ্য ছাড়া সাধারনত পাড়ি দেয় না। একেবারেই না পারলে তার গুরুজ্ঞান টুকুই দিয়ে দেয় যেন সে নিজেই পাড়ি দিতে পারে বাকি পথটুকু।
সহি পন্থায় জীবন যাপন করতে। নিজের আদি অন্ত জানতে। পা হতে মাথা পর্যন্ত গুপ্ত খবর = তত্ত্বকথা। যা জানলে জ্ঞানীদের ইশারা বুঝা যায় সহজেই এবং তার যোগান দেয় গুরু। গুরু হয় পরম দয়ালু যার দয়াতে শিষ্যের দিব্যদৃষ্টি খুলে যায়। গুরু নিজে বুক সমান তলিয়ে গেলেও শিষ্যকে ঘারে বসিয়ে রাখেন যেন তার শিষ্য না তলায় মহাকালের স্রোতে। প্রকৃত গুরুরা তার শিষ্য ছাড়া সাধারনত পাড়ি দেয় না। একেবারেই না পারলে তার গুরুজ্ঞান টুকুই দিয়ে দেয় যেন সে নিজেই পাড়ি দিতে পারে বাকি পথটুকু।
আমরা যখন যুবকের কাতারে থাকি তখন
ধর্ম কর্মের ব্যাপারে থাকি তর্কে, জীবনকে উপভোগ করি উল্লাসে। যখন
যৌবন শেষে বার্ধক্যে যাই তখন কথার ধরন যায় বদলে। চেহারা হয়ে যায় মলিন যেন কিছু
একটা ভয় কাজ করছে। কাউকে কিছু বলতেও পারছি না, যেখানেই খানিকটা আশার বাণী শুনতে
পাই সেখাএই কিছুক্ষন থেমে যাই। গাড়ী বাড়ী সবিইত আছে তবে অভাবটা কোথায়? ভয় কিসে? যদি স্রষ্টাকে ভয় হয়
তবে আমি বলব যে দেখেন স্রষ্টা কত দয়ালু আপনাকে আমাকে এখনো জীবিত রেখেছেন। কেন
জীবিত রেখেছেন? যেন একবার ক্ষমা চাই সকল ভুলের জন্যে। ক্ষমা স্বর্গীয়, ক্ষমাতেই মিলে
মহামুক্তি...
No comments:
Post a Comment